মুহাম্মদ কাইসার হামিদঃ
আমাদের দেশে প্রতিদিন অসংখ্য লোক এমনকি অসংখ্য শিশু কিশোর শহরের ফুটপাতে রাত্রি যাপন করে থাকে। প্রতিবছর বিভিন্ন কারনে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। দুঃখজনক হলেও শীতের তীব্রতায় অনেকেই অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। এই মাসে দিনে সূর্যের আলোয় শীত কিছুটা কম অনুভূত হলেও রাতে হাড় হিম করা শীত জেঁকে বসেছে। ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষদের ভোগান্তি চরমে ওঠেছে।
কনকনে শীতে ছিন্নমূল শিশু, কিশোর ও বৃদ্ধ অসহায়-দুস্থদের কথা ভেবে বুধবার (৪জানুয়ারি) থেকে কনকনে শীত উপেক্ষা করে গভীর রাতে কুলিয়ারচর রেলওয়ে স্টেশনে, বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্রে, তিশা বাসস্ট্যান্ডে, কুলিয়ারচর বাজারে, পূর্ব গাইলকাটা ও বড়খারচর মহল্লার বিভিন্ন রাস্তায় হেটে হেটে রিকশা চালক, ভ্যান চালক ও আশ্রয়হীন দরিদ্র শীতার্তদের গায়ে মায়ের ভালোবাসা দিয়ে নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিয়ে বেড়াচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলাম লুনা।
তার এ ভালোবাসায় মুগ্ধ শীতার্তদের মধ্যে অনেকেই কেঁদে দু’হাত তুলে দোয়া করেন মমতাময়ী মা ইউএনও সাদিয়া ইসলাম লুনা’র জন্য।
এ কনকনে শীতে তাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তার ছোট্ট শিশু সন্তানসহ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিমন সরকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক, উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (এল.জি.ই.ডি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইব্রাহিম খান ও ইউএনও অফিসের স্টাফবৃন্দ।
Leave a Reply