ইমন মাহমুদ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বধূনগর গ্রামে মসজিদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর ফ্যামিলির উপর হামলা, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (৭ জুলাই) এই ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে প্রবাসী আহাদ মিয়া ও মোরাদ মিয়া বলেন, ঈদের পরদিন দুপুরে মসজিদের হিসাবকে কেন্দ্র করে চাচা আব্দুল খালেক ও ভাতিজা এমাদ মিয়া লোকজন দুপক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঝগড়ায় পক্ষ নেন কান্দার বংশের খোশেদ মেম্বার। এ ঘটনায় বাড়িঘর ভাংচুর ও গুরুত্ব আহত হয়ে আমার মা, বাবা, ভাইসহ ৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ দুপক্ষের মধ্যে যারা আদিপত্য বিস্তারে লিপ্ত তারা হলেন খোরশেদ মেম্বার, মুর্শিদ মিয়া, এমাদ মিয়া,খালেক মিয়া, নওয়াব মিয়া, সাইফুল ও কালাম। এদের মধ্যে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মুর্শিদ। বধূরনগর গ্রামের ফরসার বংশ ও কান্দার বংশের লোকজন তারা। গ্রামের একটি পক্ষের অভিযোগ একটি সিন্ডিকেট করে ঝগড়া সংঘর্ষ লাগিয়ে নিজেরা ফায়দা লুটে লাভবান হয়। এক জনের নেতৃত্ব আরেকজন মানতে রাজি নন।
অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী নেতা মুর্শিদ মিয়া বলেন মসজিদকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এলাকাবাসী হিসাবে লোকজন নিয়ে ঝগড়া যেন ভয়াবহ রূপ না নেয় সেই চেষ্টা করেছি। একটা কুচক্ররী মহল আমার রাজনীতির ইমেজ নষ্ট করার জন্য আমার উপর মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
অভিযুক্ত এমাদ মিয়া বলেন, মসজিদের হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে হিসাব দিতে না পারায় ঈদের পরের দিন কমিটির একজন আরেক জনকে দেখে নিব বলে হুমকি দেয় এ নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়।
ভৈরব থানা ওসি মাকছুদুল আলম বলেন, ঈদের পরের দিন থেকে এ গ্রামের মানুষ বারবার ঝগড়া সংঘর্ষ লিপ্ত হচ্ছে। এ গ্রামে আগে একজন খুন হন। তখন তারা গ্রামে লুটপাট তান্ডবলীলা চালায়, মামলাকে তারা ভয় পায়না। গ্রামের চেয়ারম্যান মেম্বারকে মানেন না, নেতৃত্ব ও নিজেরদের ক্ষমতা প্রভাব খাটানো নিয়ে এসব হচ্ছে।
পুলিশ পাঠালে তারা পালিয়ে যায়। পুলিশ চলে আসলে আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। আমি চেষ্টা করছি গ্রামের আইন- শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে।
Leave a Reply