নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের আলোচিত ও শিক্ষার মানে এক নামে পরিচিত ১৭০০ শিক্ষার্থী নিয়ে কিশোরগঞ্জ সরকারী আদর্শ শিশু বিদ্যালয়টির এখন বহুমুখী সংকটে জর্জরিত দেখার যেন কেউ নেই!
বিভিন্ন সুত্র ও অধিকাংশ অভিভাবকদের অভিযোগ স্কুলের ভবনের অভাবে শিক্ষার্থীদের স্থান তথা ক্লাসরুম সংকট, বেঞ্চ সংকট, পুরাতন ঝুঁকিপুর্ণ ভবনসহ দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন পদ খালি থাকলেও নেই কোন কার্যকর ব্যবস্থা।
গত এক মাস পূর্বে প্রধান শিক্ষক পদটি পুরণ হলেও হয়নি অফিস ষ্টাফ তথা পিয়ন ও পাহরাদার। ফলে চুরি যেন এখন স্কুলের নিত্য দিনের ঘটনা।
ফলে চুরিসহ পিয়নের চাহিদা মিটাতে এখন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০০টাকা হারে চাঁদা তুলে চাহিদা মিটানোর চেষ্টা চলছে। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন পদে লোকবল না থাকলেও হচ্ছে না নিয়োগ কমছে না ভোগান্তি।
সেই সাথে কয়েক বছর যাবত এ স্কুলে নেই অভিভাবক কমিটি। অনেকের অভিযোগ স্কুলের শিক্ষকগণও নাম মাত্র শিক্ষা কাজকর্ম চালায় কখন সময় পার হবে এমন ভাবনায় হেলেটেলে সময় পার করে। তার মাঝেও নিজ আত্বীয় স্বজনের কার কেমন ক্ষমতা তা দেখানোর চলে অসম প্রতিযোগিতা।
সব মিলিয়ে এক সময়ের আলোচিত বিদ্যাপিঠটি এখন নিজেই নানামুখী সংকট আক্রান্ত। বিদ্যালয়টি যেন এখন
মরার উপর খারার ঘায়ে পরিণত হয়েছে। ফলে স্কুলের শিক্ষার মান নিয়েও চলছে চুল ছেড়া বিশ্লেষণ।
কোন কিছুতেই যেন অদৃশ্য শত্রু পিছু ছাড়ছে না এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। আদৌও কি এসব অভাব থেকে বেড়িয়ে সুশিক্ষা পূর্বের আলোচিত সেই বিদ্যাপিঠ তার আগের অবস্থানে ফিরতে পারবে ? এসব ভাবনা এখন শুধু স্কুলের শিক্ষার্থী আর অভিভাবক নয় কিশোরগঞ্জ শিক্ষা অংগনেও এর আলোচনা সমালোচনা এবং পর্যালোচনার শীর্ষে।
এরকম দুরাবস্থা বিহীন অবস্থা থেকে মুক্তি চায় কিশোরগঞ্জ সরকারী আদর্শ শিশু বিদ্যালয়। এসব বিষয় কিশোরগঞ্জ সরকারী আদর্শ শিশু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডলি বলেন,আমাদের স্কুলে পিয়ন ও পাহারাদার না থাকায় কিছু শিক্ষার্থীদের দেয়া অনুদান নিয়ে চাহিদা মিটাতে পারবো না দরকার সরকারি নিয়োগের লোকবল।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এমদাদুল হক জানান, ১৭০০ শিক্ষার্থী নিয়ে এ স্কুলের শিক্ষকরা শিক্ষাদান করে আসছে। স্কুলের তারসহ বিভিন্ন শিক্ষা সামগ্রী চুরি হয়েছে এডহক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা একজন পাহারাদার নিলেও স্কুলের চাহিদা মিটাতে পারছি না। পৌরসভার মেয়রের সাথে পরামর্শ করে আমারা অচিরেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবো।
অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনার কলি নাজনীন বলেন, টাকা নেয়ার বিষয় আমি জানিনা লোকবল নিয়োগ সরকারি ভাবে না হলে কিছু করা কষ্টকর।
Leave a Reply