1. admin@zisantv.com : Alim Uddin : Alim Uddin
রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
কানাইঘাট-জকিগঞ্জবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন তারেক রহমান : দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতির কীর্তিময় এক অনন্য নাম আটগ্রাম-কালিগঞ্জ সড়কে বীর মুক্তিযোদ্ধা হারিস চৌধুরীর নামফলক ভেঙে ফেলল দুর্বৃত্তরা মাহে রমজান উপলক্ষে সকল মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রফেসার এম. ফরিদ উদ্দিন সমাজে সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অদম্য নারীরা ভূমিকা রাখছেন- কেয়া খান কানাইঘাটের পরিস্থিতিকে শান্ত করতে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে খেলাফত মজলিসের সভা জকিগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুজন আহমদ গ্রেফতার সিলেটে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে- কানাইঘাটে পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান কানাইঘাটে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একজনকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলে গেল সুরমা নদীতে

কিশোরগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসনে জাপা মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নুর দুর্গে কোণঠাসা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি

  • প্রকাশের সময় বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১৩ বার পড়েছে

শামীম আহমেদঃ

টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয়
আসনে দলটি অনেকটাই নির্জীব। এর অন্যতম কারণ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোহাম্মদ মুজিবুল হক চুন্নু।

অন্য আরেকটি কারণ মহাজোট। চুন্নুর রাজনৈতিক কৌশলের কারণে করিমগঞ্জ ও তাড়াইলে আওয়ামীলীগের কমিটির দেখা নেই দীর্ঘদিন ধরে। এ কারণে দলে নেই ঐক্য। কেউ কাউকে মানছেন না। আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে এরই মধ্যে জানিয়েছেন দলটির ২০ জন নেতা।

বিএনপিও এই আসনে ভালো অবস্থানে নেই। আসনে বেশ ফুরফুরে জাপা। দলটির নেতা-কর্মীরা বলছেন, এটি মুজিবুল হক চুন্নুর দুর্গ। ভবিষ্যতেও জাতীয় পার্টি স্বমহিমায় থাকবে। এরশাদের দেখানো পথেই চলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুল হক চুন্নু। আগামী নির্বাচনে তিনি দলটির একমাত্র মনোনয়নপ্রত্যাশী।

এবারও ভোটের মাঠে তাঁর ধারে কাছে কেউ আসতে পারবেন না। আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন বাংলাদেশ মিলস্কেল রি-প্রসেস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ এরশাদ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার গোলাম কবির ভূঁইয়া, করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর নাসিমুল হক। এ ছাড়া ১৫-২০ জন শুধু ফেসবুকে সরব। মাঠে তাঁদের তৎপরতা নেই, নেই কোন গণঅবস্থান।

বিএনপি যদি দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে যায় দলীয় মনোনয়ন চাইবেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পদচ্যুত চেয়ারম্যান ভিপি সাইফুল ইসলাম সুমন এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জালাল মোহাম্মদ গাউস।

আগামী নির্বাচনে জাপা মহাজোটে থাকবে কি না জানতে চাইলে বর্তমান এমপি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘প্রথমত আমরা এখন মহাজোটে নেই। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরপরই আমরা জোট ছেড়ে দিয়েছি। জোটে যাওয়ার চিন্তাও নেই। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেব।

আওয়ামী লীগকে কোণঠাসা করার ব্যাপারে তিনি বলেন, দেখুন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশলের কাছে বিএনপি কোণঠাসা হয়ে আছে দীর্ঘকাল। প্রত্যেক রাজনীতিবিদই নিজ কৌশলে রাজনীতি করে থাকেন। তারাও রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করুক।

জেলা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে পুরোনো কমিটি দিয়ে চলছে করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ। ২০০২ সালে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। দীর্ঘ ২১ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়নি। কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্য মারা গেছেন। অন্যদিকে ২০১৩ সালে তাড়াইল উপজেলায় সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, নিজেদের দখলে থাকা আসনটি ধরে রাখতে মরিয়া জাতীয় পার্টি। কিন্তু আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি, তারা চাই যেকোনো মূল্যে আসনটি নিজেদের কবজায় আনতে। আসন্ন নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে আওয়ামী লীগের এরশাদ উদ্দিন ও গোলাম কবির ভূঁইয়ার। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন। তৃণমূল আওয়ামী লীগ ও সাধারণ মানুষকে নিয়ে দলকে সুসংগঠিত করছেন। তবে আওয়ামী লীগের ভেতরে একটি শক্তিশালী চুন্নুপন্থী গ্রুপ সক্রিয়। তাঁরা চাইছেন না আওয়ামী লীগের কেউ এই আসনের এমপি হোন।

এরশাদ উদ্দিন বলেন, মনোনয়ন পেলে আমিই জয়লাভ করব। জয়লাভের পর আমাদের হাওরবেষ্টিত ও কৃষিনির্ভর এলাকায় স্থানীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন শিল্প, আইটি শিল্পসহ অন্যান্য শিল্প স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করব। গোলাম কবির ভূঁইয়া বলেন, মনোনয়ন পেলে যদি জয়লাভ করতে পারি, তাহলে জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করব। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার একজন গর্বিত অংশীদার হব।

অন্যদিকে বিএনপি দুর্দিনে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়ে যাচ্ছে। হাল ধরেছেন জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, সাইফুল ইসলাম সুমন ও জালাল মোহাম্মদ গাউস। জেলা বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে চায়, তবে বর্তমান সরকারের অধীনে নয়।

বিএনপি যদি নির্বাচনে আসে, তবে জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাই মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন। জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জয় আমাদেরই হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান সংবাদগুলো


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST