1. admin@zisantv.com : Alim Uddin : Alim Uddin
মঙ্গলবার, ০১ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
কানাইঘাট-জকিগঞ্জবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন তারেক রহমান : দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতির কীর্তিময় এক অনন্য নাম আটগ্রাম-কালিগঞ্জ সড়কে বীর মুক্তিযোদ্ধা হারিস চৌধুরীর নামফলক ভেঙে ফেলল দুর্বৃত্তরা মাহে রমজান উপলক্ষে সকল মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রফেসার এম. ফরিদ উদ্দিন সমাজে সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অদম্য নারীরা ভূমিকা রাখছেন- কেয়া খান কানাইঘাটের পরিস্থিতিকে শান্ত করতে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে খেলাফত মজলিসের সভা জকিগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুজন আহমদ গ্রেফতার সিলেটে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে- কানাইঘাটে পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান কানাইঘাটে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একজনকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলে গেল সুরমা নদীতে

তারেক রহমান : দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতির কীর্তিময় এক অনন্য নাম

  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫
  • ৭ বার পড়েছে

প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন :: দেশ, জাতি ও দলের কঠিন সময়ে সঠিক ভাবে সুদূরপ্রসারী ও দূরদর্শী নেতৃত্ব প্রদান করার অসাধারণ Qualities বা গুনাবলী সকল নেতৃত্বের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠেনা। নেতৃত্বের আসল Test বা পরীক্ষা কঠিন ও সংকটকালীন সময়ে হয়ে থাকে। আর এ জন্যই John C. Maxwell যথার্থই বলেছেন- “A leader is one who khows the way, goes the way and shows the way.” বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সুদীর্ঘ কাল হতে অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির সাথে পাল্লা দিয়ে যেভাবে দলের নেতৃত্ব প্রদান করে চলেছেন, তাতে সুদূরপ্রসারী, দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতির এক Role Model হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহত্তম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বিএনপি’র প্রতিটি কর্মসূচী প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন, দলের তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী হতে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন, প্রতিটি বক্তৃতা – বিবৃতির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যেভাবে দেশবাসীকে guidelines বা নির্দেশনা দিয়ে চলেছেন, তাতে জনাব তারেক রহমান এক অনন্য উচ্চতায় ও ঈর্ষণীয় সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হতে সক্ষম হয়েছেন।

ফ্যাসীবাদী ও স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের পতনের আন্দোলনের Mastermind নিয়ে একটি মহল পরিকল্পিত ভাবে অপ্রয়োজনীয় ও দূরভিসন্ধি মূলক বিতর্কের সূচনা করেছে। বিষয়টা অনেকটা পতিত আওয়ামীলীগের বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের একক কৃতিত্বের দাবীদার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো হাস্যকর ও বিভ্রান্তিকর। অথচ ইতিহাসের সত্যকাহিনী সকলেরই কমবেশী জানা। ঠিক একই ভাবে ফ্যাসীবাদী ও স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলন সংগ্রামের ক্ষেত্রে ও একটি গোষ্ঠী অত্যন্ত হাস্যকর ভাবে নিজেদেরকে আন্দোলন সংগ্রামের একক দাবীদার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টায় প্রতিনিয়ত লিপ্ত রয়েছে। অথচ সুদীর্ঘ ১৭ বছরের অবিরাম ও বিরামহীন আন্দোলন সংগ্রাম ও ত্যাগ তিতিক্ষার নির্যাস স্বরুপ ছাত্র-জনতা ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের আন্দোলন সংগ্রামে ফ্যাসীবাদী ও স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন অনিবার্য হয়ে উঠে। বিএনপি’র সুদীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম ও সারা দেশব্যাপী সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের চরম ত্যাগ – তিতিক্ষা ও জীবন বাজি রেখে চালিয়ে যাওয়া আন্দোলন সংগ্রামের সঠিক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব প্রদান করেন জনাব তারেক রহমান। জনাব তারেক রহমান এর দূরদর্শী রাজনৈতিক কৌশল, নেতৃত্ব ও ক্ষিপ্রতার নিদর্শন পাওয়া যায় গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপে, প্রতিটি বক্তৃতা – বিবৃতিতে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সঠিক ও সুচারুরূপে স্বাধীনতা সংগ্রামকে পরিচালনা করবার জন্য সারা দেশকে ৯টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং সেক্টর কমান্ডারগণদের দায়িত্ব প্রদান করা হয় স্বাধীনতা সংগ্রামকে সফলতার দিকে ধাবিত করার জন্য, ঠিক একই ভাবে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার জন্য জনাব তারেক রহমান আন্দোলনের High Voltage এর সময়ে সারা দেশকে অত্যন্ত সুকৌশলে ও গোপনে বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত করে বিএনপি’র বিভিন্ন দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দকে দায়িত্ব প্রদান করেন, যাতে আন্দোলন সংগ্রাম সঠিক ভাবে পরিচালিত হয়। আর পুরো বিষয়টাকে Monitor and co-ordinate করেন জনাব তারেক রহমান। ” জ্বী আমি তারেক বলছি, আপনাদের পাশে আছি “- এই কণ্ঠস্বর গত ১৭ বছর বাংলাদেশের নিপীড়িত জনগণের আস্থার প্রতিশব্দ ছিল।

স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন যখন সন্নিকটে ২০২৪ সালের ১৯ শে জুলাই জনাব তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান এই বলে ” বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণকে শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়ে আন্দোলনকে সমথর্ন ও এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সকল শক্তি দিয়ে ছাত্র জনতার এই আন্দোলনকে সফল করুন। পাপের ভারে ন্যূজ হাসিনা ও তার দূর্নীতিবাজ ও মানবাধিকার বিরোধী সহযোগিদের পতন অনিবার্য। ” শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলন ও সংগ্রামের Real Mastermind হলেন জনাব তারেক রহমান। শুধু তাই নয়, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর জনাব তারেক রহমান দেশবাসীকে সর্তক করেন এই বলে – ” স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও দেশের রাজনীতির সংকট এখনো কাটেনি।” বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কালের রাজনীতির বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা ও অনুধাবন করলে জনাব তারেক রহমান এর এই আশংকার যথার্থতা পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠে।

বিএনপি’র রাজনীতির Centre Point হলো বাংলাদেশের জনসাধারণ এবং জনসাধারণ কে কেন্দ্র করেই বিএনপি’র রাজনীতি সকল সময় আবর্তিত, প্রতিবর্তিত ও পরিচালিত হয়। আর এ জন্যই ২০২৫ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারী যশোর জেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে জনাব তারেক রহমান দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন -” বিএনপি’র রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জনগণ।” ২০২৫ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী জনাব তারেক রহমান আরো বলেন-” একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি’র একটি লক্ষ্য আছে, একটি উদ্দেশ্য আছে, কিভাবে আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল, যে দল জনগণের কথা বলে, যে দলের কাছে সুযোগ থাকলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে।” ২০২৫ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারী কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র সম্মেলনে জনাব তারেক রহমান বলেন -” বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। আমরা যেহেতু জনগণের শাসনে বিশ্বাস করি, গণতন্ত্র বিশ্বাস করি, আমরা জনগণের কাছে ভোট চাইব, দেশে নির্বাচন চাইব- এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাপার।

রাজনৈতিক দল হিসাবে বিএনপি’র নির্বাচন চাওয়ার বিষয়টাকে কেন কিছু লোক অস্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত করতে চাচ্ছে, সেটি আমাদের চিন্তা করে দেখতে হবে, এখানে কারো কোন লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য আছে কি না।” রাজনীতিতে আলোচনা সমালোচনা থাকবে, তর্ক বির্তক থাকবে – এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু এই তর্ক বির্তক ও আলোচনা সমালোচনার ফলে যেন অপশক্তি যাতে কোন সুযোগ নিতে না পারে, তার জন্য সবাইকে সর্তক করে জনাব তারেক রহমান ২০২৫ সালের ২৪ শে ফেব্রুয়ারী বলেন-” বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে এবং তর্ক বির্তক হব- এটি রাজনীতির অংশ। আমাদেরকে সর্তক থাকতে হবে, যাতে কোন পরিস্থিতির উদ্ভব না হয়, যেখানে স্বৈরাচার বা বাংলাদেশের মঙ্গল চায়না, এমন কেউ সুযোগ পেয়ে যায়।”

স্বৈরাচারী ও ফ্যাসীবাদী শেখ হাসিনার পতনের পর সাম্প্রতিক কালে ” সংস্কার ” নামক শব্দটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুল ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অথচ সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পৃথিবীর সকল দেশে সকল সমাজে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সংস্কার সাধিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের একটি মহল সংস্কার বিষয়টাকে “আচানক” একটি বিষয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার দূরভিমন্ধি করে বাংলাদেশের রাজনীতিকে অনিশ্চিয়তার দিকে ধাবিত করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পতনের অনেক পূর্বে বিএনপি দেশ ও জাতির সামনে বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক, শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের রুপরেখা উপস্থাপন করে থাকে। ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই জনাব তারেক রহমান কতৃক জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয় রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা রুপরেখা যা বাংলাদেশের উন্নয়নের “ম্যাগনাকার্টা ” হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। যখন কেউ সাহস করেনি ঠিক তখন শেখ হাসিনার রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে জাতির সামনে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিল বিএনপি। অথচ একটি মহল সংস্কার ইস্যুটাকে সামনে এনে জাতীয় নির্বাচনকে prolong বা দীর্ঘায়িত করার নানা রকম নীল নকশা বাস্তবায়নে উঠে পড়ে লেগে আছে যা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর হতে পারে না।

জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতীয় ইস্যু নিয়ে ভাবনা বিএনপি’র রাজনীতির প্রধানতম দিক। ফেব্রুয়ারী মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিএনপি উত্তরবঙ্গে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী একটি সমাবেশ করেছে – যা দেশে বিদেশে অনেকের দৃষ্টি আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয় এবং সারা দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন ও প্রশংসিত হয়। ” জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই”- সমাবেশ করে বিএনপি নতুন একটি রাজনৈতিক মহাযজ্ঞ করে ফেলে। এই সমাবেশের মাধ্যমে তিস্তা ইস্যু তুলে ধরে বিএনপি একদিকে যেমন ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সমালোচনা করেছে, অপরদিকে বিএনপি’র এই সমাবেশ প্রচলিত রাজনীতি হতে বেরিয়ে আসার ও বার্তা দেয়। তিস্তা ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের আচরণ কখনোই প্রতিবেশী সুলভ তো ছিলইনা বরং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। তিস্তা উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেঁ গভীর ভাবে জড়িত। এই তিস্তা নিয়ে ভারত সব সময় বাংলাদেশকে বঞ্চিত করেছে। শুষ্ক মৌসুমে ভারত একতরফা ভাবে পানি আটকে রেখে পুরো উত্তরবঙ্গে তিস্তা অববাহিকায় এক মরুময় পরিবেশ সৃষ্টি করে, আবার বর্ষা মৌসুমে পানি ছেড়ে দিয়ে সমগ্র অঞ্চল প্লাবিত করে, যার ফলে জন জীবনে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। ভারতের এই আচরণ অত্যন্ত ঘৃন্য ও নিন্দনীয়। তিস্তা পারের ধূ ধূ চর গুলোতে লাখো মানুষের সমাবেশ করে বিএনপি একদিকে যেমন ভারতের কঠোর সমালোচনা করে, অন্যদিকে চীনকে আস্থায় নেবার জন্য প্রতিশ্রুতি দিল তিস্তা মহা প্রকল্প বাস্তবায়নের।

” জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই ” অবস্থান কর্মসূচীর মাধ্যমে বিএনপি দৃঢ় ভাষায় দাবী তুলেছে তিস্তার পানি দিতে হবে, বড় দাদার মতো আচরণ বন্ধ করতে হবে, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে। তিস্তা পারের তথা উত্তরবঙ্গের মানুষদের সাথে নিয়ে বিএনপি জোরালো এই দাবী গুলো উত্থাপন করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং প্রয়োজন বোধে এই বিষয়গুলো নিয়ে বিশেষ করে তিস্তা ইস্যুটি জাতিসংঘে উত্থাপনের কথা বলা হয়েছে বিএনপি’র পক্ষ হতে। এই সমাবেশের সমাপনী বক্তব্য দিতে গিয়ে জনাব তারেক রহমান উদাত্ত কন্ঠে আহ্বান জানান- ” জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাও, জাগো বাহে দেশ বাঁচাও।” বিএনপি’র এই ভিন্ন মাত্রার কর্মসূচি বিএনপি’র পরিবেশ বান্ধব অবস্থানের কথা ও মনে করিয়ে দেয়। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য রাজনীতির এমন উদাহরণ সত্যিই আশা জাগানিয়া।

বাংলাদেশের রাজনীতির ভাগ্যাকাশ হতে চরম সংকট ও অনিশ্চয়তার কালো মেঘ এখনও কেটে যায়নি। রাজনীতির আকাশে ঈষাণ কোণে নতুন করে ঘন কালো মেঘ ক্রমশ ঝমাট বাঁধছে। গণপরিষদ নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন ও Second Republic এর নামে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে Confusing, Conflicting, Contradictory and Controversial Concept বা ইস্যু সমূহ তোলে জনসাধারনের মধ্যে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তোলার নানা রকম ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের ফন্দিফিকির চলছে। তাই বিএনপি’র সর্বস্তরের নেতা-কর্মী তথা দেশবাসীকে সর্বদা সজাগ, সর্তক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কারণ ঐক্যেই শক্তি, ঐক্যেই মুক্তি। গত ২৭ শে ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিএনপি’র বর্ধিত সভা এবং এই বর্ধিত সভার মূল স্লোগান ছিল -” সুদৃঢ় ঐক্য রুখে দিতে পারে সকল ষড়যন্ত্র। ” এই বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর বিখ্যাত কালজয়ী অমোঘ বাণী-” ব্যাক্তির চেয়ে দল বড়,দলের চেয়ে দেশ বড়”- কথাটিকে অন্যতম প্রধান message বা বার্তা হিসেবে দেশবাসীর সামনে তোলে ধরা হয়।

বিএনপি’র রাজনীতি জনগণের দ্বারা জনগণের জন্যেই। আরএ জন্যই বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের প্রতি জনাব তারেক রহমান সুস্পষ্ট নির্দেশনা যে, রাজনীতিতে জনগণের সাথে থাকতে হবে, জনগণকে সাথে রাখতে হবে। জনাব তারেক রহমান এর মতো জনপ্রিয়, দেশপ্রেমিক, জাতীয়তাবাদী ও দূরদর্শী একজন রাজনীতিবিদের পক্ষেই কেবলমাত্র সম্ভব বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক, কল্যাণমূলক, সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা।

লেখক :: প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন, সাবেক সহ-সভাপতি, যুক্তরাজ্য বিএনপি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান সংবাদগুলো


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST