1. admin@zisantv.com : Alim Uddin : Alim Uddin
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
কানাইঘাট-জকিগঞ্জবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন তারেক রহমান : দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতির কীর্তিময় এক অনন্য নাম আটগ্রাম-কালিগঞ্জ সড়কে বীর মুক্তিযোদ্ধা হারিস চৌধুরীর নামফলক ভেঙে ফেলল দুর্বৃত্তরা মাহে রমজান উপলক্ষে সকল মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রফেসার এম. ফরিদ উদ্দিন সমাজে সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অদম্য নারীরা ভূমিকা রাখছেন- কেয়া খান কানাইঘাটের পরিস্থিতিকে শান্ত করতে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে খেলাফত মজলিসের সভা জকিগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুজন আহমদ গ্রেফতার সিলেটে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে- কানাইঘাটে পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান কানাইঘাটে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একজনকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলে গেল সুরমা নদীতে

সাবেক ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা হত্যা করেছে

  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ১৭৮ বার পড়েছে
News
নরসিংদী প্রতিনিধিঃ-


পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নরসিংদীর হাজিপুরে প্রকাশ্যে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় নিহতের ছেলে সুজনসহ ২ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নরসিংদীর উপশহর হাজিপুরের কাঠবাজার এলাকায় নিহতের নিজ দোকানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুজিত সুত্রধর (৫৩) হাজিপুর ৩ নং ওয়াডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন এবং হাজিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে মামলা মোকদ্দমার জের ধরে ইউপি চেয়ারম্যানের মদদে তার লোকজন এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছেন। অভিযুক্ত ইউসুফ খান পিন্টু হাজিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলগের সভাপতি ও বর্তমান হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান।জানা যায়, ২০০৬ সালে হাজিপুর ইউনিয়নের তৎকালীন বিএনপির চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সরকার ও তার ভাই রিপন সরকারকে প্রকাশ্যে নিহতের বাড়ির সামনে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে পিন্টু ও তার সমর্থকরা। জোড়া হত্যা মামলার ঘটনায় ইউসুফ খান পিন্টুর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।নিহতের ছেলে সুজন সুত্রধর জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর সুজিত সুত্রধর তার বাবা বাড়ি থেকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসেন। তারা বাবা-ছেলে ব্যবসায়ীক বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই মনির, চেয়ারম্যানের সেকেন্ড ইন কমান্ড দেলু ও রাকিবের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জন সন্ত্রাসী দা, ছোড়া ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সাবেক মেম্বার সুজিত সুত্রধরের উপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা সুজিত মেম্বারকে এলোপাথারী কোপাতে থাকে। সুজন ও দোকানের কর্মচারীরা তাদের বাধা দিতে এগিয়ে গেলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করে। পরে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজিতকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার প্রতক্ষ্যদর্শী ও নিহতের ছেলে সুজন সুত্রধর আরও জানান, তার বাবা ইউপি সদস্য থাকার সময় পরিষদের চাল ও গম বিতরণের অনিয়মসহ নানা বিষয়ে হাজিপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পিন্টুর সঙ্গে বিরোধ ছিল। বিরোধের জের ধরে চেয়ারম্যানের নামে একাধিক মামলা করেন নিহত সুজিত সুত্রধর। মামলার জের ধরে তার বাবার ওপর একাধিক বার হামলা করেছে পিন্টু চেয়ারম্যান। মামলা তুলে না নিলে তার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল।বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও নরসিংদী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুল কবির খোকন বলেন, নিহত সুজিত মেম্বার জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। বর্তমান আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে নৃসংশ ভাবে হত্যা করেছে । আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই। অন্যথায় আন্দোলনে নামবে বিএনপির নেতাকর্মীরা।ঘটনার প্রতক্ষ্যদর্শী ও নিহতের ছেলে সুজন সুত্রধর আরো জানিয়েছেন,ইউপি সদস্য থাকা কালিন পরিষদের চাল ও গম বিতরনের অনিয়ম সহ নানা বিষয়ে হাজিপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পিন্টুর সাথে বিরোধ ছিল।বিরোধের জের ধরে চেয়ারম্যানের নামে একাধিক মামলা করেন নিহত সুজিত সুত্রধর। মামলার জের ধরে তার বাবার উপর একাধিক বার হামলা করেছে পিন্টু চেয়ারম্যান। এই সাথে মামলা তুলে না নিলে আমার বাবাকে মেরে ফেলবে বলেও হুমকি দিয়ে আসছিল। বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেছেন,নিহত সুজিত মেম্বার জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। বর্তমান আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে নৃসংশ ভাবে হত্যা করেছে । আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই। অন্যথায় আন্দোলনে নামবে বিএনপির নেতাকর্মীরা।এই বিষয়ে জানতে হাজিপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পিন্টুর মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে পিন্টু চেয়ারম্যানের ভাই মনির খান জানিয়েছেন, শত্রু কখনো শত্রুকে মারে না। বাজারে বার্নিস মিস্ত্রিদের টাকা পয়সা নিয়ে নিহত সুজিতের ছেলে সুজনের সাথে তাদের ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে তারা সুজিত মেম্বারকে হত্যা করেছে।নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান জানিয়েছেন, ঠিক কি কারণে হত্যাকাণ্ডটি সংঘঠিত হয়েছে তা এখনও পরিস্কার নয়। তবে এই দুই পক্ষের মধ্যেই মামলা মোকদ্দমা ছিল। হত্যার রহস্য ও আসামি গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান সংবাদগুলো


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST