1. admin@zisantv.com : Alim Uddin : Alim Uddin
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
আন্তঃউপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে কানাইঘাটে ক্রীড়া সংস্থার প্রস্তুতি সভা জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি)’র অভিযানে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ কানাইঘাটের মোতাহের আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা মালয়েশিয়ায় উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় কানাইঘাটের নাফিসের স্বর্ণপদক অর্জন ডা. সুমাইয়া সুলতানা লিজার চিকিৎসা সেবায় ২০ বছর পর মাতৃত্বের সুখবর পেলেন এক নারী। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন এম এ করিম জকিগঞ্জে বাঁশের সাঁকো থেকে নদীতে পড়ে শিশু মিজানুর রহমানের মৃত্যু বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা ইমাম বুখারী’র মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এম এ করিম : দোয়া কামনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন সাফল্য বয়ে এনেছেন কানাইঘাটের তরুন লেখক জয় দাস

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার আবারওলোকালয় থেকে অজগর উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪১২ বার পড়েছে

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার পূর্ব বিরাইমপুর এলাকা থেকে আবারও বিশাল আকৃতির একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।উদ্ধারের পর বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রাণীটিকে জানকিছড়ায় অবমুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান,এস ই ডব্লিউ নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে বন বিভাগ জানতে পারে,শ্রীমঙ্গল উপজেলার পূর্ব বিরাইমপুর আবাসিক এলাকার এক জমিতে একটি অজগর কুন্ডলি পাকিয়ে আছে।খবর পেয়ে দুপুরে অজগরটিকে উদ্ধার করে লাউয়াছড়া সেবা সেন্টারে নিয়ে আসে বন বিভাগ।সেখানে অজগরটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।পরে বিকালের দিকে জানকিছড়ায় অবমুক্ত করা হয়েছে।অজগরটি লম্বায় প্রায় ছয় ফুটের মতো।
এ সময় রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম,বিট কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান ও এস ই ডব্লিউ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত,গত এক সপ্তাহে তিনটি অজগর লোকালয় থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সাপটির পরিচয় নিশ্চিত হতে সময় নিউজের হাতে আসা সাপটির ছবি পাঠানো হয় বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা এবং তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক জোহরা মিলাকে।তিনি বলেন,সাপটির এই প্রজাতিকে বার্মিজ অজগর বলে মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন,সুন্দরবনে সাধারণত পাওয়া যায়।নির্বিষ এই সাপটি নিশাচর ও খুবই অলস প্রকৃতির,প্রয়োজন ছাড়া নড়াচড়াও করে না।এই প্রজাতিটি গাছে একাকী বাস করলেও শুধু প্রজননকালে জোড়া বাধে।সাধারণত মার্চ থেকে জুনের মধ্যে প্রজননকাল।দেশের ম্যানগ্রোভ বন,ঘাসযুক্ত জমি,চট্টগ্রাম ও সিলেটের চিরসবুজ পাহাড়ি বনে এদের দেখা পাওয়া যায়।সাপটি সাধারণত মানুষের ক্ষতি করে না।খাদ্য হিসেবে এরা ইদুর, মুরগি,সাপ-কচ্ছপের ডিম,ছোট বন্যপ্রাণী ইত্যাদি খায়।এটি তার আকারের চেয়েও অনেক বড় প্রাণী খুব সহজেই গিলে খেতে পারে।
জোহরা মিলা বলেন, চামড়ার জন্য সাপটি পাচারকারীদের লক্ষবস্তুতে পরিণত হয়েছে।ফলে আমাদের বনাঞ্চল থেকে এটি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ এর তফসিল-২ অনুযায়ী এ বন্যপ্রাণীটি সংরক্ষিত,তাই এটি হত্যা বা এর যে কোনো ক্ষতি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিডি// নিজস্ব প্রতিবেদক দৈনিক তোকদার নিউজ.কম এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ,তথ্য,ছবি,আলোকচিত্র,রেখাচিত্র,ভিডিওচিত্র,অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

 

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির অন্যান সংবাদগুলো