নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে যৌন নিপীড়নের একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কানাইঘাটের সুরইঘাট সিঙ্গারীপার গ্রামের মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফ। বালাগঞ্জের তাজপুর থেকে পুলিশ তাকে আটক করেছে বলে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আউয়াল জানিয়েছেন।
মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফ এর যৌন নিপীড়নের মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আউয়াল জানান, ভিডিওতে শিশুটিকে যৌন নিপীড়নের দৃশ্য ধরা পড়েছে। তবে ঘটনাস্থল নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে একটি সূত্র জানায়- যৌন নিপীড়নের ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটি ২০২২ সালের প্রথম দিকের ঘটনা। তখন মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাও মানাউরা (উত্তরপাড়া) জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। সেই কারণে মানাউরা উত্তরপাড়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী মৌলভী হাছান আহমদের ভাগনি’র সঙ্গে মসজিদের ইমামের মক্তবখানায় যৌন নিপীড়নের এই ঘটনাসহ একাধিক মেয়ের সাথে এরকম ঘটনা ধরা পড়লে সেখান থেকে মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফ সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার গোয়ালাবাজার চলে যান।
বর্তমানে মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফ গোয়ালাবাজারের একটি মাদ্রাসা ও তাজপুর এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি করছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া তার ২ স্ত্রী ও ২ জন সন্তান রয়েছে। মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফ কানাইঘাটের গাছবাড়ী এলাকার আকুনী মাদ্রাসায় লেখাপড়া শেষ করে বিভিন্ন জায়গার মসজিদ মাদ্রাসায় ইমামতি ও শিক্ষকতা করছিলেন।