1. admin@zisantv.com : Alim Uddin : Alim Uddin
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
সিলেটের পাথর কোয়ারি ইজারা প্রদানে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কানাইঘাটের রুহেল ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কানাইঘাটে ১৫৮ পিস ভারতীয় কম্বল সহ ট্রাক চালক আটক : মামলা দায়ের কানাইঘাটের বড়বন্দ তৃতীয় খন্ড গ্রামে গৃহবধূ হত্যার ঘাতক স্বামীকে খোঁজছে পুলিশ কানাইঘাটে ড. জাকি মোস্তফা টুটুলের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান কানাইঘাটের সাতবাঁক ঈদগাহ প্রাঙ্গনে চিরনিদ্রায় শায়িত ভাষাবিদ ইসমাঈল আলম কানাইঘাটে ডাক্তার মুজাম্মিল আলী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের মাধ্যমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ১৯৭১ কানাইঘাটে যুদ্ধ করে সাহস ও বীরত্বের জন্য যারা বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত হন শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের সুযোগ পেল শাহীন আহমদ টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়ন বৃহত্তর জৈন্তা’র দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার আবারওলোকালয় থেকে অজগর উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৬৩ বার পড়েছে

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার পূর্ব বিরাইমপুর এলাকা থেকে আবারও বিশাল আকৃতির একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।উদ্ধারের পর বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রাণীটিকে জানকিছড়ায় অবমুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান,এস ই ডব্লিউ নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে বন বিভাগ জানতে পারে,শ্রীমঙ্গল উপজেলার পূর্ব বিরাইমপুর আবাসিক এলাকার এক জমিতে একটি অজগর কুন্ডলি পাকিয়ে আছে।খবর পেয়ে দুপুরে অজগরটিকে উদ্ধার করে লাউয়াছড়া সেবা সেন্টারে নিয়ে আসে বন বিভাগ।সেখানে অজগরটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।পরে বিকালের দিকে জানকিছড়ায় অবমুক্ত করা হয়েছে।অজগরটি লম্বায় প্রায় ছয় ফুটের মতো।
এ সময় রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম,বিট কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান ও এস ই ডব্লিউ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত,গত এক সপ্তাহে তিনটি অজগর লোকালয় থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সাপটির পরিচয় নিশ্চিত হতে সময় নিউজের হাতে আসা সাপটির ছবি পাঠানো হয় বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা এবং তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক জোহরা মিলাকে।তিনি বলেন,সাপটির এই প্রজাতিকে বার্মিজ অজগর বলে মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন,সুন্দরবনে সাধারণত পাওয়া যায়।নির্বিষ এই সাপটি নিশাচর ও খুবই অলস প্রকৃতির,প্রয়োজন ছাড়া নড়াচড়াও করে না।এই প্রজাতিটি গাছে একাকী বাস করলেও শুধু প্রজননকালে জোড়া বাধে।সাধারণত মার্চ থেকে জুনের মধ্যে প্রজননকাল।দেশের ম্যানগ্রোভ বন,ঘাসযুক্ত জমি,চট্টগ্রাম ও সিলেটের চিরসবুজ পাহাড়ি বনে এদের দেখা পাওয়া যায়।সাপটি সাধারণত মানুষের ক্ষতি করে না।খাদ্য হিসেবে এরা ইদুর, মুরগি,সাপ-কচ্ছপের ডিম,ছোট বন্যপ্রাণী ইত্যাদি খায়।এটি তার আকারের চেয়েও অনেক বড় প্রাণী খুব সহজেই গিলে খেতে পারে।
জোহরা মিলা বলেন, চামড়ার জন্য সাপটি পাচারকারীদের লক্ষবস্তুতে পরিণত হয়েছে।ফলে আমাদের বনাঞ্চল থেকে এটি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ এর তফসিল-২ অনুযায়ী এ বন্যপ্রাণীটি সংরক্ষিত,তাই এটি হত্যা বা এর যে কোনো ক্ষতি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিডি// নিজস্ব প্রতিবেদক দৈনিক তোকদার নিউজ.কম এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ,তথ্য,ছবি,আলোকচিত্র,রেখাচিত্র,ভিডিওচিত্র,অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

 

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির অন্যান সংবাদগুলো